Facebook Twitter Instagram YouTube

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২০, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ /
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহ্বায়ক, সিন্ডিকেট সদস্য ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ এবং ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এছাড়া শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক শক্তিশালীকরণ, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উপাচার্য প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মহান ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তহবিল বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষা ও গবেষণার প্রসারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়েছেন তিনি। শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টি এবং আবাসিক হল ও বিভাগগুলোতে সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও শিক্ষা-গবেষণার প্রসারে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। তিনি অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে উপাচার্য আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রীকে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্মতি প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মমত্ববোধ এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসের জন্য উপাচার্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin