Facebook Twitter Instagram YouTube

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ /
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্য, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির মূল লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করা এবং নিজেদের শক্তির প্রদর্শন করা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের হামলায় এসব ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে পেন্টাগন এখন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করছে। যদিও এ নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে পেন্টাগন কম সংখ্যক সেনা মোতায়েন অথবা বাহিনীকে পশ্চিম দিকে সরিয়ে নেওয়ার মতো কৌশলগত পরিবর্তনের কথা গুরুত্বের সাথে ভাবছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পর্যালোচনা কেবল লজিস্টিকস বা অবকাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নীতির ভবিষ্যৎ ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চল ও এর আশপাশে অন্তত ২০টি ঘাঁটিতে প্রায় ৫০,০০০ সৈন্য মোতায়েন রেখেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কাতারের আল-উদেইদ, বাহরাইনের এনএসএ, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও ক্যাম্প বুহরিং, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি। সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের হামলায় অন্তত ১৫টি মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কাতারের আল-উদেইদে রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, বাহরাইনে নৌসদর দপ্তর, গুদাম ও যোগাযোগ অবকাঠামো এবং কুয়েতে বিমান, লজিস্টিকস ও সহায়তা কেন্দ্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ২৯আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ৩১

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh