Facebook Twitter Instagram YouTube

শিবপুরে গণসমাবেশে মামুনুল হক: মাওলানা রাকিবুল ইসলাম নেতা নয়, শিবপুরবাসীর সেবক হতে চান


Md. Zubaer Hossain প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ /
শিবপুরে গণসমাবেশে মামুনুল হক: মাওলানা রাকিবুল ইসলাম নেতা নয়, শিবপুরবাসীর সেবক হতে চান

শিবপুর প্রতিনিধি:

 

নরসিংদীর শিবপুরে আয়োজিত বিশাল গণসমাবেশে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতি ও জনস্বার্থমূলক সেবা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার সকাল থেকে শিবপুর ময়দানে ভিড় বাড়তে থাকে সাধারণ জনগণ, কর্মী-সমর্থক ও ওলামায়ে কেরামের। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,

“আমরা নেতৃত্বের নামে ক্ষমতা অর্জন করতে চাই না, মানুষের সেবা করতে চাই। মাওলানা রাকিবুল ইসলাম শিবপুরের নেতা নয়, তিনি জনগণের প্রকৃত সেবক হতে চান।”

মামুনুল হক তার বক্তব্যে আসন্ন নির্বাচন, জুলাই সনদ এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমূলক শাসনব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে হলে জনগণের সম্পৃক্ততা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, দেশের রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রকৃত অর্থে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা―ই হবে ভবিষ্যতের মূল চ্যালেঞ্জ।

শিবপুর উপজেলা খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত এ গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লা আমিন।

সমাবেশে বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের প্রার্থী মাওলানা রাকিবুল ইসলাম।

তার বক্তব্যে শিবপুরের উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনঅধিকার রক্ষা, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, শিক্ষাখাতের উন্নয়ন ও সেবা-ভিত্তিক রাজনীতির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন,

“আমি কারও নেতা হতে চাই না। শিবপুরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ, অধিকার রক্ষা ও মানুষের পাশে থাকা―এটাই হবে আমার মূল দায়িত্ব।”

সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই শিবপুর শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম ও এলাকা থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ দলবেঁধে উপস্থিত হন।

সমাবেশ মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি ইসলাম, সামাজিক উন্নয়ন ও চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রেও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, ইসলামী রাজনীতি মানেই দায়িত্ব, শপথ ও আমানাহ্— যে দায়িত্ব মূলত জনগণের কল্যাণেই নিবেদিত। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও শিবপুরকে উন্নয়ন ও শান্তির অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই হবে ভবিষ্যতের লক্ষ্য।

 

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।