Facebook Twitter Instagram YouTube

১১ দলীয় জোটে আসন বণ্টন চূড়ান্ত, ইসলামী আন্দোলন নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা


Md. Zubaer Hossain প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ /
১১ দলীয় জোটে আসন বণ্টন চূড়ান্ত, ইসলামী আন্দোলন নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা

দীর্ঘ আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট তাদের প্রার্থী সংখ্যা ও আসন বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে জোট গঠনের শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা প্রকাশ করা হয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়, বরং এটি একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি দাবি করেন, দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো রাজনৈতিক দল একসঙ্গে এত বড় জোট গঠন করেনি। এই ঐক্য ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঘোষিত আসন বণ্টন অনুযায়ী, ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের ব্যানারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বাধিক ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দেবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) লড়বে ৩০টি আসনে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পাবে ২০টি আসন।

জোটের অন্যান্য শরিকদের মধ্যে খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি এবং নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।

এদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের জন্য কতটি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে, ১১ দলীয় জোট ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য আলাদাভাবে ৫০টি আসন সংরক্ষণ করে রেখেছে। তবে দলটি এখনও জোটে যোগদানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জানিয়েছে, নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে তারা আগামী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবে। ওই সংবাদ সম্মেলনের দিকেই এখন রাজনৈতিক মহলের নজর, যেখানে জোটে তাদের থাকা না থাকার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।