Facebook Twitter Instagram YouTube

শুক্রবার (জুমআ)—মুমিনদের জন্য এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন


Md. Munjurul Hasan প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ /
শুক্রবার (জুমআ)—মুমিনদের জন্য এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন

শুক্রবার (জুমআ)—মুমিনদের জন্য এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত ইবাদতের বিশেষ দিন।সূরা আল-জুমুআ, আয়াত ৯–১০ এ আল্লাহ বলেন:
﴿ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ﴾

“হে ঈমানদারগণ! যখন শুক্রবারের নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ করো।”
এ দিন আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদতের জন্য নির্ধারিত
কুরআন শুক্রবারে একটি সম্মিলিত ইবাদত—জুমার নামাজ—আবশ্যিক করেছে। এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সামাজিক সংহতি ও পরস্পরের খোঁজখবর নেওয়ার একটি মহাসমাবেশ।
সামাজিক, রাজনৈতিক, নৈতিক দিকনির্দেশনা লাভের সুযোগ । সমাজের দুর্বল ও শক্তিশালীদের এক জায়গায় সমবেত হওয়ার সুযোগ।
ইবাদতের পরে দুনিয়ার কাজে ফিরে যাওয়ার অনুমতি সম্মন্ধে সূরা আল-জুমুআ ১০ এ বলা হয়েছে:
﴿ فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِن فَضْلِ اللَّهِ ﴾

“আর যখন নামাজ সমাপ্ত হয়ে যায়, তখন তোমরা ভূমিতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান কর।”

এ আয়াত থেকে বোঝা যায় ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা । ইবাদতের পর দুনিয়ার কাজে চেষ্টা করাও আল্লাহর নির্দেশ।
শুক্রবার পুরোপুরি ইবাদতের দিন নয়; বরং ইবাদত-দুনিয়া উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য। আল্লাহর স্মরণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান ।নামাজের আহ্বানের সাথে সাথেই আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হওয়ার নির্দেশ দেয়ায় বোঝা যায়, শুক্রবার আল্লাহর নিকটত্ব অর্জনের জন্য বিশেষ সময়।

মুসলিম উম্মাহর একতা ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক
যদিও কুরআনে সরাসরি এই দিকটি উল্লেখ না থাকলেও, জুমার নামাজের জন্য সমবেত হওয়ার নির্দেশ—
সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে। উম্মাহর ঐক্য ও শক্তির প্রকাশ ঘটায়। একের সাথে অন্যের যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়, যা কুরআনের সামগ্রিক শিক্ষার একটি বাস্তব প্রয়োগ। কুরআন শুক্রবারকে ইবাদতের দিন, আল্লাহর স্মরণের দিন, সামাজিক ঐক্যের দিন।
দুনিয়া ও আখিরাতের ভারসাম্যের দিন হিসেবে তুলে ধরেছে।