কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় দুই কিশোরসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার আদালতে এই অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে অপ্রতিমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপ্রতিম বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, তুহিন সেদিন বিকেলে অপ্রতিমকে নিয়ে ওই নির্জন বনে যায় এবং তার কাছে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সে বাধা দেয়।
অভিযোগপত্রে সাইফুল ইসলাম তুহিন ও সিয়ামসহ দুই কিশোরকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সিয়ামকে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন এবং অপর দুই কিশোরকে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
নিহত অপ্রতিম (১৩) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ছিল। সে কোটবাড়ী এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
আপনার মতামত লিখুন :