Facebook Twitter Instagram YouTube

প্রসিকিউটরদের অনুপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ক্ষোভ প্রকাশ


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ /
প্রসিকিউটরদের অনুপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ক্ষোভ প্রকাশ

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ পূর্বনির্ধারিত সময়ের কার্যক্রম শুরু করার জন্য বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এজলাসে আসন গ্রহণ করেন। ওই সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। এজলাসে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ও ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটরদের কাউকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী প্রসিকিউশনের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে উপস্থিত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার এক কর্মকর্তাকে প্রসিকিউটরদের খবর দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরও প্রসিকিউটররা উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ডিফেন্স লইয়াররা এসে ভরে গেছে, প্রসিকিউটরদের খবর নেই।" এ সময় তিনি আরও বলেন, তিনি বিচারক হিসেবে সময়মতো এসেছেন, কিন্তু প্রসিকিউটররা না আসায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে বিচারক পুনরায় প্রসিকিউশনকে খবর দেওয়ার বিষয়ে তাগিদ দেন। অবশেষে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম এজলাসে আসেন। এরপর একে একে প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ ও মো. মিজানুল ইসলাম উপস্থিত হন। আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বিভিন্ন আবেদনের পর বিচারক উপস্থিত প্রসিকিউটরদের উদ্দেশে বলেন, সময়মতো আসার জন্য তাকে ব্যক্তিগতভাবে অনেক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হয়, কিন্তু প্রসিকিউটরদের এমন অনুপস্থিতিতে দেশ চলতে পারে না।

এ সময় প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন দেরি হওয়ার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম দায় স্বীকার করে জানান, তিনি আজ সকালে এসে প্রসিকিউশনের প্রশাসকের কক্ষে না গিয়ে নিজের কক্ষেই অবস্থান করেছিলেন, যার ফলে অন্য প্রসিকিউটররা তার উপস্থিতির বিষয়টি বুঝতে পারেননি। এই ভুলের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এমনটি হবে না বলে আশ্বস্ত করেন। এরপর ট্রাইব্যুনালে রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo