শেখ পরিবারের ‘ঘনিষ্ঠ’ পরিচয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ থেকে শুরু করে সংসদ ভবনে মারধর এবং পূজামণ্ডপে সরাসরি পিস্তল উঁচিয়ে গুলির মতো বেপরোয়া ও সহিংস ঘটনায় বারবার আলোচনায় এসেছেন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। বর্তমানে তিনি থাইল্যান্ডে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সাবেক সংসদ-সদস্য থাকাকালীন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল চার শতাধিক সদস্যের একটি সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। নিজ বাড়িতে তিনি একটি গোপন টর্চার সেলও তৈরি করেন। তার বিরুদ্ধে গেলেই লোকজনকে তুলে এনে সেখানে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হতো বলে জানা গেছে। এছাড়া ভয়ভীতি প্রদর্শন, সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর করা ছিল তার নিত্যদিনের ঘটনা।
তার বিরুদ্ধে নির্বাচনি এলাকার উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হরিলুটের অভিযোগও রয়েছে। রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ ও অবকাঠামোগত যাবতীয় উন্নয়নকাজের নিয়ন্ত্রণ তার ক্যাডার বাহিনীর হাতে ছিল। এলাকায় খোঁজ নিয়ে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
এছাড়াও, সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেট সদস্য হিসাবে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের শত শত কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন। মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, তার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছাড়া কোনো ঠিকাদার টেন্ডারও জমা দিতে পারতেন না।
আপনার মতামত লিখুন :