Facebook Twitter Instagram YouTube

রংপুরে চার হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তথ্যে অসামঞ্জস্য


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৪, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ /
রংপুরে চার হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তথ্যে অসামঞ্জস্য

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের দেয়া তথ্যের অমিল দেখা দিয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস। তিনি জানান, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তবে ময়নাতদন্তে তাদের চোয়াল ভাঙার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এর আগে, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডের শিকার আগামী চক্রবর্তীর গলা ও মুখে রশি দিয়ে এমনভাবে টানা হয়েছিল যে তার চোখ বেরিয়ে আসে এবং চোয়াল ভেঙে যায়। ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস আরও জানান, অনেকের মধ্যে গুজব ছড়িয়েছে যে লাশগুলোর চেহারা নষ্ট করতে এসিড ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তে এসিড ব্যবহারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। মূলত লাশগুলো কয়েকদিন ধরে পড়ে থাকার কারণেই চেহারা এমন ঝলসে যাওয়ার মতো হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ময়নাতদন্তে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ির চিলেকোঠা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), সিঁড়ি থেকে প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২) ও আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং দোতলার শোবার ঘর থেকে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা সম্পর্কে মামাতো ভাই এবং সিটি বাজারে মাছের দোকান ও স্বর্ণের দোকানে কাজ করত। এ ঘটনা পুরো দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin