Facebook Twitter Instagram YouTube

লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনীর একযোগে সামরিক হামলা


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৫, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ /
লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনীর একযোগে সামরিক হামলা

শনিবার (১৫ আগস্ট) লেবানন ও সিরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থার তথ্যমতে, ইসরায়েলি সেনারা হুলা এলাকায় আক্রমণ করেছে। এছাড়া যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে টাইর জেলার মানসুরি শহর এবং ওয়াদি আদশিত আল-কুসাইর এলাকায় হামলা চালানো হয়। আল-মানার সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকন্ঠেও হামলা করেছে এবং একটি সামরিক হেলিকপ্টার আলি আল-তাহের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়েছে। এসব হামলায় ফসফরাস শেলসহ নিষিদ্ধ অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

একই দিনে সিরিয়ার কুনেইত্রা প্রদেশের গ্রামীণ এলাকায়ও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের আল-রাফিদ শহরের কৃষিজমিতে বড় ধরনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে লেবাননে নিহতের সংখ্যা ৪ হাজার ৩৩৫ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২৭৭ জনের বেশি এবং প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ নেতা শেখ নাইম কাসেম ইসরায়েলের সঙ্গে লেবাননের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এই প্রস্তাবকে লেবাননের সার্বভৌমত্ব সমর্পণের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন। কাসেমের মতে, তথাকথিত ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি মূলত ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া শর্তের সমষ্টি। তিনি অভিযোগ করেন যে, লেবানন সরকার হিজবুল্লাহর অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে সোচ্চার হলেও ইসরায়েলের চুক্তি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বরের চুক্তি এখনও কার্যকর রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh