Facebook Twitter Instagram YouTube

৬ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব: অর্থমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : জুলাই ৯, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ /
৬ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব: অর্থমন্ত্রী

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা এই লক্ষ্য অর্জনে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সভায় অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এনবিআরের সবাই প্রস্তুত আছেন এবং রাজস্ব আদায় ভালো হবে। সরকার যে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা পূরণ করা সম্ভব। চলতি অর্থবছরে এনবিআরকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, যা সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি।

এর আগে এনবিআর বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করেছিল। সংস্থাটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছিল, জুন মাস শেষে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা দাঁড়াতে পারে। বিদায়ী অর্থবছরে এনবিআরের শুল্ক-কর আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর জানিয়েছে, গত অর্থবছরের ২০ জুন পর্যন্ত অর্থাৎ ১১ মাস ২০ দিনে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা শুল্ক-কর আদায় হয়েছে। জুনের প্রথম ২০ দিনে আদায় হয়েছে ২৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা এবং শেষ ১০ দিনে আরও ২৫ হাজার কোটি টাকা আদায় হতে পারে বলে সংস্থাটির প্রত্যাশা। চূড়ান্ত হিসাব এখনো প্রস্তুত না হলেও বিদায়ী অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের আশা করছে এনবিআর।

একই দিনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। সেখানে শিল্প খাতের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। বিটিএমএ নেতাদের উত্থাপিত বেশ কিছু দাবি বৈঠকেই সমাধান করা হয়েছে এবং বাকিগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। ব্যবসায় পরিবেশের উন্নতির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল বা ডিরেগুলেশনের পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।