Facebook Twitter Instagram YouTube

সার্বিয়ায় ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রথম ও ঐতিহাসিক সফর


প্রকাশের সময় : আগস্ট ৯, ২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ /
সার্বিয়ায় ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রথম ও ঐতিহাসিক সফর

ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর এই প্রথম সার্বিয়া সফরে গেলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত বলকান অঞ্চলের এই দেশটিতে এটিই ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের প্রথম কোনো সরকারি সফর। মস্কোর সঙ্গে বেলগ্রেডের ঘনিষ্ঠতার কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জেলেনস্কির এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, দেশটির রাজধানী বেলগ্রেডে অবস্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুচিচ ও ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। সফরে মূলত দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও মজবুত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মতে, জেলেনস্কির এই সফরের পেছনে একটি বড় কৌশলগত লক্ষ্য রয়েছে। কিয়েভ চাইছে সার্বিয়াকে রাশিয়ার প্রভাববলয় থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে নিয়ে আসতে এবং বেলগ্রেডের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করতে।

তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছা যে সার্বিয়ার নেই, তা আবারও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুচিচ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, রাশিয়ার ব্যাপারে সার্বিয়ার আগের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং তারা নিজেদের বর্তমান নীতিই বজায় রাখবে।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রুশ হামলার নিন্দা জানালেও এখন পর্যন্ত মস্কোর ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি সার্বিয়া। বেলগ্রেডের এমন অনড় অবস্থানের কারণে দেশটির ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়া যেমন দীর্ঘায়িত ও জটিল হচ্ছে, তেমনি পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যেও এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor