Facebook Twitter Instagram YouTube

গ্যাসের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎস বাড়াতে চায় সরকার


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ /
গ্যাসের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎস বাড়াতে চায় সরকার

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের সংকট একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এই সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সরকার এখন দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী সমাধানের দিকে নজর দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ জানিয়েছেন, সরকার কোনো অজুহাত না দেখিয়ে বরং আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে ‘ইআরএফ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সংকট বা যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে যেন ভবিষ্যতে বড় কোনো সমস্যা তৈরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।

প্রেস সচিব আরও বলেন, ২০২২ সালের আগস্টে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছিল। তখন অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার মতো পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, মাত্র ছয় মাস দায়িত্ব পালন করা বর্তমান সরকারের ওপর অতীতের সব দায় চাপানো যুক্তিযুক্ত নয়, বরং যেকোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে তরুণদের একাধিক ভাষা শেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ। তিনি বলেন, তরুণরা তিন থেকে চারটি ভাষা শিখলে ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবে। ইআরএফকে সদস্যদের ভাষা শেখানোর কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে এখন সারা বিশ্ব একটি ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা’য় পরিণত হয়েছে।

ইআরএফের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক শামসুল হক জাহিদ বলেন, দৈনন্দিন রিপোর্টিংয়ের প্রয়োজনে ইংরেজিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি চীনা, জাপানি ও ফরাসি ভাষার মতো বিদেশি ভাষায় প্রাথমিক জ্ঞান থাকা জরুরি। হেডম্যান একাডেমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমাম হোসেন আনন্দদায়ক পরিবেশে ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমকে দেশসেবার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে অভিহিত করেন। এছাড়া ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা জানান, সদস্যদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সংগঠনটি।

তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় একটি সরকার ক্ষমতায় থাকার পর যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে যদি অফিসের সময় পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে মাত্র ছয় মাস দায়িত্বে থাকা বর্তমান সরকারের ওপর অতীতের সব দায় চাপানো ঠিক হবে না।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh