
প্রথমবারের মতো কোনো সরকারি নথিতে নবম জাতীয় পে স্কেলের রূপরেখা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে এই পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, ১ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এই পে স্কেলটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সচিব কমিটির সব সদস্য ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন বলে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত এই পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বাজেট বরাদ্দের বিষয়েও ই-বুকে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শুধুমাত্র বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এদিকে, সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে পে কমিশন সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছরেই নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন এবং সরকার খুব দ্রুতই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পে-কমিশনের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আলোচনার জন্য শীঘ্রই পুনরায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :