
নবনিযুক্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের প্রথম কর্মদিবসে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা ও জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, যদিও তারা সরকারের পক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন, তবুও প্রকৃত অর্থে দেশের জনগণই তাদের মূল ক্লায়েন্ট।
রোববার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রতিটি নিয়োগের ভিত্তি হওয়া উচিত সততা, দক্ষতা, দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনা। সরকার ও রাষ্ট্রপতির দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই এই আইন কর্মকর্তারা নিয়োগ পেয়েছেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
গত ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। সেই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূর্ববর্তী সব আইন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটির পর রোববারই ছিল তাদের প্রথম কর্মদিবস। এদিন সকাল ৮টার আগেই নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তারা কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নতুন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরও বলেন, প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং নিজ নিজ দক্ষতার ক্ষেত্রে তারা কাজ করবেন। তবে তাদের সবার অভিন্ন লক্ষ্য হবে রাষ্ট্রের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আইনি লড়াইয়ে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন ও পুনর্নিয়োগপ্রাপ্তদের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে কার্যালয় আরও শক্তিশালী হবে এবং জনগণ তাদের কাছে যে প্রত্যাশা রাখে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পূরণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :