
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবে ডারউইনে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ দল নিয়ে অনুশীলনে নেমেছে বাংলাদেশ। সফরকারী ক্রিকেটারদের দ্বিতীয় ধাপের ডারউইন সফরের পর এটিই ছিল পুরো দলের প্রথম সম্মিলিত অনুশীলন। আজ বৃহস্পতিবার থেকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিনদিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ শুরু হচ্ছে। সিরিজের প্রথম টেস্টের আগে এটাই বাংলাদেশের একমাত্র প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ, তাই স্কোরবোর্ডের চেয়ে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং সেরা একাদশ নির্বাচনই এখন টিম ম্যানেজমেন্টের মূল লক্ষ্য।
ডারউইনের ড্রপইন উইকেটে খেলার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য নতুন। এখানকার বাড়তি বাউন্স ও গতি সামলানোর অভ্যস্ততা না থাকায় অনুশীলনে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের পাশাপাশি কন্ডিশনের সাথে খাপ খাওয়ানোর ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।
দলের জন্য ইতিবাচক খবর হলো উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাসের চোট থেকে সেরে ওঠা। কাফ মাসলের চোট কাটিয়ে তিনি পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবে কিপিং করেছেন। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে তার খেলার বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তিনি জানান, লিটনের অনুশীলনে কোনো সমস্যা দেখা না গেলেও প্রথম টেস্টের আগে কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট।
পেসার হাসান মাহমুদ প্রস্তুতি ম্যাচটিকে দলের জন্য কার্যকর প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, এই ম্যাচটি কন্ডিশন ও পিচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনেক সাহায্য করবে। ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফর করা হান্নান সরকার মনে করেন, এবার বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা প্রতিপক্ষকে ভালোভাবে চেনে এবং ২০০৩ সালের তুলনায় দলটি অনেক বেশি প্রস্তুত। তবে তিনি ওপেনারদের ধৈর্য ধরে খেলার এবং অফ ড্রাইভ খেলার ক্ষেত্রে ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
চোটের কারণে নাহিদ রানা ছিটকে যাওয়ায় এবং আরও কয়েকজনের ইনজুরি নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকায় পেস আক্রমণকে নতুন সমন্বয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। ১৩ আগস্ট শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টের আগে এই তিনদিনের ম্যাচটি খেলোয়াড়দের প্রযুক্তিগত ও মানসিক সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :