
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২২ পিএম। বিগত সময়ে কুইক রেন্টালের নামে কিছু ব্যক্তিকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকার অনিয়ম করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এফডিসিতে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগই বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
কুইক রেন্টালের দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, এ ধরনের প্রকল্পের মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর হওয়ার কথা এবং এর ব্যয় ১৬ টাকা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের পরও নবায়নের সময় অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচারের ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণ না করে আগের প্রায় সমান দামেই বিদ্যুৎ কেনা হয়েছিল। তাই এই খাতের দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যায় না এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
জ্বালানি সংকট নিয়ে জালাল আহমেদ বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসনের সম্ভাবনা কম। তবে সরকারের নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের মাধ্যমে এই ঘাটতি মেটানো সম্ভব। দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মিশ্র জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অতীতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে উপেক্ষা করে দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থে আমদানি নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, পতিত সরকারের সময় জ্বালানি নীতি ছিল বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত। সেই সময়ের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণেই বর্তমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে, যার মাশুল এখন জনগণকে দিতে হচ্ছে। তাই এই সংকটের জন্য বর্তমান সরকারকে দায়ী করা তাদের প্রতি অবিচার হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আপনার মতামত লিখুন :