Facebook Twitter Instagram YouTube

পুঁজিবাজারে বিও হিসাব খুলতে আসছে ই-কেওয়াইসি ব্যবস্থা


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৪, ২০২৬, ৬:৩০ পূর্বাহ্ণ /
পুঁজিবাজারে বিও হিসাব খুলতে আসছে ই-কেওয়াইসি ব্যবস্থা

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব খোলার প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর করতে ই-কেওয়াইসি পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)। এই পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য সিডিবিএল তাদের সফটওয়্যারের সাথে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) সংযুক্ত করার কাজ করছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১৯ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের একটি দল সিডিবিএল কার্যালয় পরিদর্শন করেছে।

সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোতালেব জানান, নতুন বিও হিসাবধারীদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইতোমধ্যে ই-কেওয়াইসি চালুর ক্ষেত্রে অনাপত্তি প্রদান করেছে। আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে এই ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই পদ্ধতির আওতায় ব্রোকারেজ হাউস, সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং কাস্টোডিয়ানসহ বিএসইসিতে নিবন্ধিত সব প্রতিষ্ঠান সিডিবিএলের এই সিস্টেম ব্যবহার করবে। ই-কেওয়াইসি চালু হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বিদ্যমান বিও হিসাবধারীদের তথ্যও যাচাই করা হবে। সিডিবিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম নয়, তাই বাড়তি কোনো ফি নেওয়া হবে না। শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের সার্ভার ব্যবহারের ফি এবং সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা বাবদ নির্ধারিত ফি নেওয়া হবে।

সাধারণত বিও হিসাব খোলার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ব্যাংক হিসাবের বিবরণী বা চেকের পাতা এবং নমিনির তথ্যসহ প্রয়োজনীয় দলিল জমা দিতে হয়। এরপর ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার কেনাবেচায় অংশ নিতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে বিও হিসাবের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ ফি ৪৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সিডিবিএল, ব্রোকারেজ হাউস এবং বিএসইসির মধ্যে সমানভাবে বিভক্ত। প্রতি বছর ৩০ জুনের মধ্যে এই নবায়ন ফি পরিশোধ না করলে বিও হিসাব বন্ধ হয়ে যায়।

বিও অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যেসব দলিল বা তথ্য দিতে হয় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— বিনিয়োগকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা পাসপোর্টের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ছবি, ব্যাংক হিসাবের বিবরণী বা চেকের পাতা (লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়ার জন্য), নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র ও এক কপি ছবি (নমিনির বয়স ১৮ বছরের ক

বিও অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রতি বছর নির্দিষ্ট একটি হারে নবায়ন ফি দিতে হয়। বিএসইসি বিও হিসাবের বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ বা নবায়ন ফি ৪৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে এই নতুন ফি কার্যকর হয়েছে। এই ফি তিন ভাগে বিভক্ত—৫০ টাকা সিডিবিএল, ৫০ টাকা ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টস (ব্রোকারেজ হাউজ) এবং ৫০ টাকা ব

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh