Facebook Twitter Instagram YouTube

মেঘনায় ঘূর্ণিস্রোতে সিমেন্টবোঝাই ট্রলার ডুবি, কোটি টাকার ক্ষতি


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১০, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ /
মেঘনায় ঘূর্ণিস্রোতে সিমেন্টবোঝাই ট্রলার ডুবি, কোটি টাকার ক্ষতি

চাঁদপুর নদী বন্দরের প্রবেশমুখে মেঘনা নদীর তীব্র ঘূর্ণিস্রোতের কবলে পড়ে ৪৪০ বস্তা শাহ সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রলার ডুবে গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মোলহেডসংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির নাম ‘এইচ এম পরিবহন’। এর মালিক হানিফ বেপারি এবং সুকানি ছিলেন আইয়ুব আলী।

ট্রলার মালিক হানিফ বেপারি জানান, সকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে ৪৪০ বস্তা শাহ সিমেন্ট নিয়ে ট্রলারটি চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। দুপুরের দিকে চাঁদপুর নদী বন্দরে প্রবেশের সময় বাঘরা বাজার ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছালে বড় স্টেশন মোলহেডসংলগ্ন মেঘনা নদীর তীব্র ঘূর্ণিস্রোতের কবলে পড়ে ট্রলারটি। স্রোতের টানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই এটি নদীতে তলিয়ে যায়। হানিফ বেপারি বলেন, ট্রলারটিই ছিল তার একমাত্র সম্বল। সিমেন্টসহ সব মিলিয়ে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

দুর্ঘটনার সময় আশপাশে থাকা অন্যান্য নৌকা ও ট্রলারের মাঝিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাদের সহায়তায় ট্রলারে থাকা সুকানি আইয়ুব আলীসহ চারজনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে।

চাঁদপুর জেলা সিমেন্টবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড মালিক সমিতির সভাপতি আকবর হোসেন মাতব্বর ও সাধারণ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম দাদন জানান, সিমেন্ট কোম্পানির পণ্যের পাশাপাশি ট্রলার মালিকও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাঁর একমাত্র সম্বল ট্রলারটি মেঘনায় তলিয়ে যাওয়ায় তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ট্রলারটিতে ৪৪০ বস্তা সিমেন্ট ছিল যা ট্রলারসহ নদীতে তলিয়ে গেছে। ট্রলারে থাকা চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তারা বিকেল পর্যন্ত চাঁদপুরে অবস্থান করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh