
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করার সময় দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী মোদির বাসভবনের সামনে রাতভর বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ বিক্ষোভস্থল থেকে তাকে সরিয়ে দেয়।
ঘটনাস্থলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাহুল গান্ধী রাস্তার ওপর বসে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য তাকে ঘিরে ফেলেন। তিনি সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ তাকে জোরপূর্বক একটি বাসে তুলে নেয়। আটকের সময় রাহুল গান্ধীর নাকে রক্ত দেখা গেলেও, কীভাবে তিনি রক্তাক্ত হয়েছেন সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আটকের পর বাসের ভেতর থেকে রাহুল গান্ধী উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ভারতে এখনই গণতন্ত্র ঘটছে।
এদিন রাহুল গান্ধী ছাড়াও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরবর্তীতে তাদেরকেও সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। এর আগে সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বা ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিল।
বিক্ষোভ থেকে সরিয়ে নেয়ার আগে রাহুল গান্ধী সমর্থকদের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্নায় যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন তিনি কোনো জবাবদিহি বা পরিণতি ছাড়াই পার পেয়ে যাবেন, কিন্তু এবার তা হবে না। শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যারা মনে করেন শিক্ষার্থীরা ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য, তারা যেন ধর্নায় যোগ দেন। কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।
আপনার মতামত লিখুন :