Facebook Twitter Instagram YouTube

খুনের আগে মোবাইল বন্ধক রেখে ইয়াবা কেনেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ /
খুনের আগে মোবাইল বন্ধক রেখে ইয়াবা কেনেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ

রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনায় সাক্ষী শান্ত দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। রোববার বিকেলে রংপুর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক রফিকুল ইসলামের আদালতে তিনি এই জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে শান্ত দাস উল্লেখ করেন, খুনের ঘটনার আগে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস তার কাছে মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা কেনেন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) সনাতন চক্রবর্তী জানান, শান্ত দাস আদালতকে জানিয়েছেন যে ২১ আগস্ট রাতে তারা তিন ধাপে মোট ৫টি ইয়াবা কিনেছিলেন। সিদ্ধার্থ দাস ৩ হাজার ৫০০ টাকায় নিজের মোবাইল ফোনটি শান্ত দাসের কাছে বন্ধক রেখে এই মাদক সংগ্রহ করেন। পরদিন বিকেলে টাকা পরিশোধ করে সিদ্ধার্থ মোবাইল ফোনটি ফেরত নিয়ে যান। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ওই টাকা তারা গণপতির বাসা থেকে লুট করেছিলেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, শান্ত দাসের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ থাকলেও তার নামে কোনো মামলা নেই। তাকে আটকের সময় কোনো মাদক পাওয়া না যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। এই মামলায় এখন পর্যন্ত সীমান্ত দাস ও বিদ্যুৎ দাসসহ মোট তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ আগস্ট রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই চার খুনের ঘটনায় পরদিন রোববার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ। একই দিন নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরদিন রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিলেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ডিবি’র ওসি জিনাত আলী নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy