Facebook Twitter Instagram YouTube

রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বারভিডার


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ /
রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বারভিডার

ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে শর্তসাপেক্ষে আমদানির সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়েছে শীর্ষ আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স এসোসিয়েশন (বারভিডা)। বুধবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, তাদের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা ছাড়াই সরকার এই নীতিমালা করেছে এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করলে ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারভিডার সভাপতি আবদুল হক, সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী, হাবিবুল্লাহ ডন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল হক চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, শহিদুল ইসলাম এবং বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিবুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি হাবিবুর।

বারভিডা সভাপতি আবদুল হক বলেন, গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের নতুন প্রযুক্তির গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করবে। তিনি আরও বলেন, নতুন ইভির দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, তাই রিকন্ডিশন্ড ইভি বাজারে পাওয়া গেলে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রিকন্ডিশন্ড হাইব্রিড গাড়ি আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ী গাড়ির বাজার সম্প্রসারিত হয়েছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন যুক্তরাজ্যে ১০ বছর, জর্জিয়ায় ছয় বছর, কেনিয়ায় আট বছর ও সৌদি আরবে পাঁচ বছর পর্যন্ত পুরোনো ইভি আমদানির সুযোগ রয়েছে। বারভিডার মতে, নিয়ন্ত্রিতভাবে আমদানির সুযোগ দিলে চার্জিং স্টেশন, সার্ভিসিং ও ব্যাটারি রিসাইক্লিং খাতে বিনিয়োগ বাড়বে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।

বারভিডা তাদের প্রস্তাবে ব্যবহৃত ইভি আমদানিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের বয়সসীমা এবং ব্যাটারির স্টেট অব হেলথ ন্যূনতম ৭০ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে। এছাড়া অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে গাড়ি পরিদর্শন, বন্যা বা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করা এবং ব্যাটারি রিসাইক্লিং ও নিরাপদ নিষ্পত্তির কাঠামো প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছে তারা। সংগঠনটি গত ৭ এপ্রিল এনবিআর কর্তৃক বাস ও ট্রাক আমদানিতে শুল্ক-কর প্রত্যাহারের সুবিধা পাওয়ার পর আমদানির তথ্যের অভাব নিয়ে পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin