
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই হাতছাড়া হওয়া ওয়ানডে সিরিজে শেষ ম্যাচে এসে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে সক্ষম হয়েছে টাইগাররা। হারারেতে টস জিতে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ।
ফিল্ডিংয়ে নেমে টাইগার বোলারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে গুটিয়ে যায়। শুরু থেকেই জিম্বাবুয়েকে চাপে রাখেন ফাস্ট বোলার শরিফুল ইসলাম। তিনি ৪৪ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ওয়েসলি মাধেভেরে লড়াকু ৭৫ রান এবং শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ফিফটি করেন।
২০০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ওপেনিং জুটির দেখা পায়। তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার উদ্বোধনী জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন, যা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। জিম্বাবুয়ের দুর্বল ফিল্ডিং এবং ৫টি ক্যাচ মিসের পূর্ণ সুযোগ কাজে লাগান এই দুই বাঁহাতি ব্যাটার।
তানজিদ হাসান তামিম ১০১ বলে ৯৪ রান করে আর্নেস্ট মাসুকুর বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তিনি ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান। এর আগে ৮২ বলে ৬৯ রান করে তানাকা চিভাঙ্গার বলে বিদায় নেন সৌম্য সরকার। তাওহীদ হৃদয় শূন্য রানে ফিরলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রানে অপরাজিত থেকে ১৪ ওভার হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।
প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা জিম্বাবুয়েকে শুরুতেই চেপে ধরে ফাস্ট বোলার শরিফুল ইসলাম। মাত্র ১০৮ রানেই স্বাগতিকদের ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয় বাংলাদেশ। শরিফুল মাত্র ৪৪ রান খরচায় শিকার করেন ৪টি মূল্যবান উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম ২টি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।
আপনার মতামত লিখুন :