
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে পার্থের পেস ও বাউন্সের উইকেটে টাইগার বোলাররা যে দাপট দেখিয়েছেন, তা যেন ক্রিকেটবিশ্বের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া যে কতটা যৌক্তিক ছিল, তা ম্যাচের প্রথম সেশনেই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন সফরকারী বোলাররা। তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং, তীক্ষ্ণ সুইং এবং বাউন্সের মুখে শুরু থেকেই অসি ব্যাটাররা চরম অস্বস্তিতে ছিলেন।
ম্যাচের ১১.৪ ওভার থেকে ২২ ওভার—এই ৬২ বলের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া তাদের ৪টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৯ রান সংগ্রহ করতে পেরেছে। হাসান মাহমুদ ইনিংসের শুরুতেই দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ডকে সাজঘরে ফেরান। এরপর ইবাদত হোসেনের বলে মার্নাস লাবুশেন এবং তাসকিন আহমেদের বলে ক্যামেরন গ্রিন আউট হন। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিংয়ে ৪৫ রানের জুটি ছাড়া আর কোনো জুটিই বড় হতে পারেনি।
ব্যক্তিগত ২ রানে থাকা অবস্থায় ইবাদতের বলে স্টিভ স্মিথের ক্যাচ স্লিপে হাতছাড়া করেন তানজিদ। সেই স্মিথ ৭ রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চের বিরতিতে গেছেন। গ্রিন আউট হওয়ার পর আর কোনো ব্যাটসম্যান নামেননি, ফলে আম্পায়াররা লাঞ্চের বিরতি ঘোষণা করেন। দুই যুগের দীর্ঘ বিরতি শেষে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে লাল বলের ক্রিকেটে এমন আক্রমণাত্মক সূচনা টাইগারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রথম সেশনে স্বাগতিকদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়ার পর বাংলাদেশ এখন ক্যাঙ্গারুদের ওপর আরও চাপ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :