Facebook Twitter Instagram YouTube

লোডশেডিংয়ে জনরোষ, নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের দ্বারস্থ পল্লী বিদ্যুৎ


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৩, ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ /
লোডশেডিংয়ে জনরোষ, নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশের দ্বারস্থ পল্লী বিদ্যুৎ

তীব্র তাপপ্রবাহ এবং জ্বালানি সংকটের কারণে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে হামলার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

গত ১২ আগস্ট বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি আইজিপির দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সম্মিলিত গড় বিদ্যুৎ চাহিদা ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। এই ঘাটতির কারণে অনেক এলাকায় দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, যা থেকে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও কার্যালয়গুলোতে হামলার ঘটনা ঘটছে। এতে দায়িত্বে থাকা কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। তাই প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও দাপ্তরিক স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে গ্যাসের ঘাটতিকে দায়ী করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। গত বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বঙ্গোপসাগরের বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন এলএনজি খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না এবং দুর্ঘটনার পর এক্সেলারেট এনার্জির টার্মিনালটিও পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা যাচ্ছে না। এছাড়া দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din