Facebook Twitter Instagram YouTube

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদনে ইডিসিএলকে দায়িত্ব দেয়ার আহ্বান বাপির


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৫, ২০২৬, ৬:০১ পূর্বাহ্ণ /
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদনে ইডিসিএলকে দায়িত্ব দেয়ার আহ্বান বাপির

দেশের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদনের দায়িত্ব সরকারি মালিকানাধীন ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডকে (ইডিসিএল) দেয়ার জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প মালিক সমিতি (বাপি)। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাপির কার্যালয়ে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) সঙ্গে ‘ঔষধ শিল্পের অগ্রগতি: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় সংগঠনটির নেতারা এ আহ্বান জানান।

সভায় বাপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডেল্টা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসাইন বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ সব সময় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সহজলভ্য থাকা জরুরি। যেহেতু সরকারি হাসপাতালগুলোতে ইডিসিএল থেকেই বড় অংশের ওষুধ সরবরাহ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির সারাদেশে পাঁচটি উৎপাদন কারখানা রয়েছে, তাই অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকাভুক্ত ওষুধ উৎপাদনের দায়িত্ব তাদের ওপর ন্যস্ত করা যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ইডিসিএল সরকারি সহায়তা পেয়ে থাকে, ফলে তাদের সক্ষমতাও বেশি।

বাপির সাধারণ সম্পাদক ও হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সিইও মোহাম্মদ হালিমুজ্জামান বলেন, সময়ের প্রয়োজনে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বেসরকারি কোম্পানিগুলোর পক্ষে অনেক সময় এসব ওষুধ উৎপাদন করে বাজারে টিকে থাকা কঠিন। যেসব ওষুধ উৎপাদন অর্থনৈতিকভাবে টেকসই নয়, সেগুলো ইডিসিএলের মাধ্যমে তৈরি করে সুলভ মূল্যে বা বিনা মূল্যে বিতরণের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে।

অনুষ্ঠানে দেশের ওষুধ শিল্পের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ইউনিমেড ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান মো. মোসাদ্দেক হোসেন। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিক থেকে এগিয়ে থাকা হাতেগোনা কয়েকটি দেশের একটি। দেশের শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিদেশি কোম্পানিগুলো সেই জায়গা দখল করতে পারে, তাই ভারসাম্যপূর্ণ নীতি প্রয়োজন।

এছাড়া সভায় মালিকরা জানান, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। জ্বালানি বা ডিজেল ব্যবহার করে অনেক প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে, যার ফলে আগে মাসে ৮ কোটি টাকার ডিজেল লাগলেও এখন তা বেড়ে ১০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়নি বলে তারা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বেসরকারি কোম্পানিগুলোর জন্য অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন করে বাজারে টিকে থাকা কষ্টসাধ্য। ১৯৯৪ সালে প্রণীত ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকার মধ্যে বর্তমানে খুব অল্পসংখ্যক ওষুধ উৎপাদনে রয়েছে। অনেক ওষুধ উৎপাদন অর্থনৈতিকভাবে টেকসই নয়। তাই সম্ভব হলে এসব ওষুধ ইডিসিএলের মাধ্যমে উৎপাদন করে জনগণের কাছে সুলভ মূল্যে, এমনকি

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin