
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠার পর তা আবারও কমেছে। বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৪৯ দশমিক ৩৯ ডলারে পৌঁছালেও, পরবর্তীতে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরু করায় দাম ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর স্বর্ণের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। মূল্যস্ফীতির তথ্য বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় আগামী মাসে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা কমে যায়, যা স্বর্ণের দামে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
শুক্রবার ইডিটি সময় রাত ১২টা ৫৮ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৩৫৪ দশমিক ৫৮ ডলারে নেমে আসে। উল্লেখ্য, লেনদেনের শুরুতে যে ৪ হাজার ৪৪৯ দশমিক ৩৯ ডলারের দাম দেখা গিয়েছিল, সেটি ছিল গত ৫ জুনের পর স্বর্ণের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচারস বাজারেও স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৪২০ দশমিক ৪০ ডলারে স্থির হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান স্টোনএক্সের জ্যেষ্ঠ বাজার কৌশলবিদ বব হ্যাবারকর্ন জানান, আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ ডলার স্বর্ণের জন্য একটি বড় রেসিস্ট্যান্স পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, স্বর্ণের দাম দুবার এই স্তরের কাছাকাছি পৌঁছালেও প্রতিবারই তা থেকে দাম কমে গেছে। ফলে দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলারের কাছাকাছি এলেই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন দেখা গেছে। স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৬৪ দশমিক ৫১ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭১৫ দশমিক ৫৪ ডলারে এবং প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৩১৬ দশমিক ২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :