Facebook Twitter Instagram YouTube

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লিড নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৪, ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ /
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লিড নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার সময় সফরকারীদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৮১ রান, যা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১৯৮ রানের চেয়ে মাত্র ১৭ রান কম। অর্থাৎ লিড নেওয়ার খুব কাছে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।

প্রথম দিন শেষে মুমিনুল হক ও তানজিদ হাসান তামিম ৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। দ্বিতীয় দিনের সকালে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক কিছুটা অবাক করেই তিন পেসার থাকার পরেও নতুন বলের আক্রমণে আনেন বো ওয়েবস্টারকে। তবে সেই চ্যালেঞ্জ সামলে মুমিনুল ও তানজিদ সতর্কতার সাথে নিজেদের জুটি বড় করতে থাকেন। কামিন্স ও স্টার্কের গতি ও বাউন্স মোকাবেলায় তারা যথেষ্ট মনোযোগের পরিচয় দেন।

এই সেশনের বড় অর্জন ছিল তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসানের ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ফিফটি। বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে এই অর্ধশতকটি তার জন্য ছিল বিশেষ কিছু। ফিফটির পর তানজিদ আরও সাবলীল হয়ে ওঠেন এবং ওয়েবস্টারের বলে লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান। মুমিনুল ও তানজিদ ১০২ রানের জুটি গড়ে তুলেছিলেন, যা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এর আগে ২০০৩ সালে কেয়ার্নসে হাবিবুল বাশার ও হান্নান সরকার ১০৮ রানের জুটি গড়েছিলেন।

তবে সেঞ্চুরির পথে থাকা মুমিনুল হক ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ৯৫ বলে ৪৯ রান করার পর জশ হ্যাজলউডের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে ইনিংস এগিয়ে নেন তানজিদ। এই সময়ে নাথান লায়নের বলে ৬২ রানে থাকা অবস্থায় তানজিদকে স্লিপে ক্যাচ ফেলে জীবন দেন স্টিভেন স্মিথ, যার সুবিধা নিয়ে তরুণ এই ওপেনার ইনিংস আরও বড় করেন।

লাঞ্চ পর্যন্ত তানজিদ ১৪৪ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত আছেন, যেখানে তিনি ৬টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। অপর প্রান্তে শান্ত অপরাজিত আছেন ২৮ রানে, যার ইনিংসে ৪০ বলে ৩টি চারের মার রয়েছে। সেশনের শেষ ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে বাংলাদেশ ৩৭ রান তুলেছে, যা স্পষ্টভাবেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের হাতে থাকার প্রমাণ দেয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin