Facebook Twitter Instagram YouTube

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১৪, ২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ /
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের সংখ্যা প্রায় ৭১ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ পারস্পরিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। নতুন এই বিমান চলাচল ব্যবস্থার আওতায়, বর্তমানে সপ্তাহে পরিচালিত ৪৯টি ফ্লাইটের পরিবর্তে এখন থেকে ৮৪টি ফ্লাইট চলাচল করবে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের (জিএসিএ) মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সৌদি আরব সফর শেষে দেশে ফিরে রাজধানীর বেবিচক সদর দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। তিনি জানান, আগামী ৫ মার্চ থেকে নতুন এই ফ্লাইটসূচি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

বেবিচক চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বিমান ভ্রমণের দীর্ঘদিনের চাপ কমবে এবং বিশেষ করে হজ মৌসুমে যাত্রী পরিবহন অনেক বেশি সহজ ও নির্বিঘ্ন হবে। এ বছর প্রায় ৭৮ হাজার বাংলাদেশি হজ পালন করেছেন বলে তিনি জানান। পাশাপাশি, নতুন এই ব্যবস্থার ফলে বর্তমানে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে সৌদি আরব যাতায়াতকারী বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি যাত্রী সরাসরি ফ্লাইটের সুবিধা পাবেন। বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ বাংলাদেশি যাত্রী পরোক্ষ রুটে যাতায়াত করেন, সরাসরি যোগাযোগ বাড়লে তাদের ভ্রমণের সময় ও ব্যয় উভয়ই সাশ্রয় হবে।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ কার্গো পরিবহনের ক্ষেত্রে 'ফিফথ ফ্রিডম' ট্রাফিক অধিকার অর্জন করেছে। এর ফলে বাংলাদেশি এয়ারলাইনসগুলো সৌদি আরবকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পণ্য পরিবহনের সুযোগ পাবে। এর আওতায় বাংলাদেশি এয়ারলাইনসগুলো সৌদি হয়ে স্পেনের জারাগোজা ও জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে কার্গো পরিবহন করতে পারবে। একই সুবিধা অনুযায়ী, সৌদি আরবও চীনের দু'টি গন্তব্যে পণ্য পরিবহনের অধিকার পেয়েছে।

মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এই ব্যবস্থাকে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ইউরোপের বাজারের সঙ্গে বাংলাদেশের আকাশপথে পণ্য পরিবহন আরও দক্ষ ও সহজ হবে, যা বাংলাদেশের লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ এবং রপ্তানি অর্থনীতিকে সহায়তা করবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh