Facebook Twitter Instagram YouTube

শুরু হলো হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৭, ২০২৬, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ /
শুরু হলো হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

আগামী বছরের পবিত্র হজ পালনের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম আজ থেকে শুরু হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার এই সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং আগ্রহী হজযাত্রীদের এই সময়ের মধ্যেই প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমেই হজে যাওয়ার জন্য প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। তবে এর আগে প্রত্যেক হজযাত্রীকে বাধ্যতামূলকভাবে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাক্-নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হজ প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ইচ্ছুকরা ই-হজ সিস্টেম (hajj.gov.bd)-এ ইউজার আইডি তৈরি করে সরাসরি নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকেও নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় নির্ধারিত ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ জমা দিতে হবে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ইচ্ছুক হজযাত্রীদের সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য হজ পোর্টালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।

হজে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু কঠোর স্বাস্থ্য ও বয়সগত শর্ত আরোপ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ১৫ বছরের কম বয়সি কোনো ব্যক্তি হজে যাওয়ার জন্য নিবন্ধিত হতে পারবেন না। এছাড়া শারীরিক অসুস্থতার কারণেও অনেকে হজের অনুমতি পাবেন না। এর মধ্যে রয়েছে হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির জটিল রোগ, স্নায়বিক বা মানসিক রোগ, ডিমেনশিয়া এবং ক্যানসারে আক্রান্ত রোগী যারা কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি নিচ্ছেন। এছাড়া যক্ষ্মা (টিবি) ও হেমোরেজিক ফিভারের মতো জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে যাওয়ার অনুমতি পাবেন না।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor