
গাজা উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং শান্তি আলোচনাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুশনার এই সফরে কায়রোতে গিয়ে মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন বলে জানা গেছে।
এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ঘোষিত ২০ দফা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য একটি রূপরেখা তৈরি করা। ২০২৫ সালের শেষভাগ পর্যন্ত প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনায় গাজায় হামাস এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের শর্ত রাখা হয়েছে। এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া গাজার নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিক বাহিনীর পাশাপাশি নতুন একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী গঠনের প্রস্তাবও এই পরিকল্পনার অংশ।
প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনায় সেনা প্রত্যাহার ও হামলা বন্ধের শর্তে হামাস নীতিগতভাবে সম্মতি জানালেও, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে এর বিরোধিতা করছেন। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় পক্ষই হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে একমত পোষণ করে, তবুও কিছু কৌশলগত বিষয় নিয়ে ইসরায়েলের উদ্বেগ নিরসনে ওয়াশিংটন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি বাস্তবায়নের ধীরগতির মধ্যেই ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, হামাসের হামলায় চারজন ইসরায়েলি সেনার প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
আপনার মতামত লিখুন :