
দুই সপ্তাহ নিষ্ক্রিয় থাকার পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি (এফএসআরইউ) পুনরায় আংশিকভাবে চালু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোররাত ৩টার দিকে টার্মিনালটি সচল করা হয়।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এলএনজি বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, টার্মিনালটি চালুর মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সন্ধ্যা নাগাদ দেশের সার্বিক গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
এর আগে গত ২৬ জুলাই বয়লার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর টার্মিনালটি বিকল হয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মতে, এই দুর্ঘটনা ও পরবর্তী মেরামতের প্রক্রিয়াটি সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই একটি নতুন অভিজ্ঞতা ছিল। মেরামত কাজ সম্পন্ন হলে প্রথম ধাপে দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে এর আগে জানানো হয়েছিল।
টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছিল, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক খাতে। দেশে দৈনিক প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে স্বাভাবিক সময়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এই সরবরাহের মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আসে।
আপনার মতামত লিখুন :