Facebook Twitter Instagram YouTube

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, নেই সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা


প্রকাশের সময় : আগস্ট ৩, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ /
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, নেই সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের প্রস্তুতি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। সচিব স্পষ্ট করেন যে, প্রস্তুতির কাজে কোনো ধীরগতি নেই।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিষয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ভোটার হওয়ার সুযোগ ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাখা হয়েছিল। যেহেতু নির্বাচন নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই, তাই এই সময়সীমা পরিবর্তন হবে কি না তা নিশ্চিত নয়। আইন সংশোধনের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এসব সুপারিশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে আইনের মালিকানা স্থানীয় সরকার বিভাগের হওয়ায়, নির্বাচন কমিশনাররা বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর এই প্রস্তাবগুলো তাদের কাছে পাঠানো হবে।

আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর বা ডিসেম্বরে নির্বাচনের সম্ভাবনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুস্পষ্ট কোনো তথ্য না থাকায় এ বিষয়ে কথা না বলাই ভালো। একটি নির্বাচনের জন্য সাধারণত তিন মাসের প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, যার মধ্যে তফসিল ঘোষণার পর ৪৫ দিনের ব্যবধান এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও প্রিন্ট করতে প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। ইসি সচিব জানান, তাদের প্রস্তুতি তিনটি অংশে বিভক্ত—আইন ও বিধিমালা, ইকুইপমেন্ট এবং ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ। এর মধ্যে আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং টিওটি মডেলে মাস্টার ট্রেইনার তৈরির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের বিষয়ে তিনি জানান, বিভিন্ন বিধিমালা নিয়ে ইতিপূর্বেই রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়েছে, তাই নতুন করে সংলাপের আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এছাড়া গত পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৩৮টি দল হিসাব জমা দিয়েছে, ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং ৮টি দল সাড়া দেয়নি। যারা সাড়া দেয়নি, তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, সংসদ সচিবালয়ের কাছ থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পর তফসিল নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ইসি সিনিয়র সচিব।

আইন অনুযায়ী, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বিগত পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হয়। তবে ৩১ জুলাই শুক্রবার হওয়ায় ২ আগস্ট পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল বলে জানান ইসি সচিব।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh