Facebook Twitter Instagram YouTube

ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১২, ২০২৬, ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ /
ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন এই লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে এবং পর্যায়ক্রমে সব প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতেই এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ৩১শে জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কাজ চলছে। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া নির্বাচনের সরঞ্জাম প্রস্তুতির প্রয়োজনীয় সময়ের কথা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বর বা জানুয়ারি নাগাদ ভোটগ্রহণের সময় নির্ধারণের দিকে এগোচ্ছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এই নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং আগের মতো নির্বাচনগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, বর্তমানে নির্বাচন কমিশন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে, যা শেষ হলেই স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের কাজ পুরোদমে শুরু হবে। এদিকে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচনের জন্য নতুন আচরণবিধির খসড়া চূড়ান্ত করে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। জুলাই মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠানের বিধান পাস হওয়ার পর ২০১৬ সালের পরিবর্তে নতুন আচরণবিধি প্রণয়ন করা হয়েছে।

নতুন আচরণবিধিতে পোস্টার নিষিদ্ধ করা হলেও ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রথমবারের মতো বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হলেও সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ওয়ার্ডপ্রতি একটি, উপজেলা নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২০টি এবং জেলা পরিষদে প্রতি থানা বা উপজেলায় একটি বিলবোর্ড ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রচারসামগ্রী সাদা-কালো হতে হবে এবং নির্দিষ্ট আকার মেনে চলতে হবে। এছাড়া ডিজিটাল প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রচারের ব্যয় প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আচরণবিধিতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিদের প্রচারণায় অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া মেয়র, চেয়ারম্যান বা প্রশাসকদের প্রচারণায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না। মাইক ব্যবহারের সময় দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সীমিত করা হয়েছে। প্রচারসামগ্রীতে প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কিছু ব্যবহার করা যাবে না এবং জীবন্ত প্রাণীর ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং জরিমানার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার বিধান রাখা হয়েছে, পাশাপাশি প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগও থাকছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশৃঙ্খলা ও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। অনেক নির্বাচিত প্রতিনিধি আত্মগোপনে বা পলাতক থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা পরিষদের দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং যেসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পলাতক বা কারাগারে, সেখানে প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি ব্যাহত হচ্ছে।

নতুন আচরণবিধিতে পোস্টার বাদ দেয়া হলেও ব্যানার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। প্রথমবারের মতো বিলবোর্ড ব্যবহারেরও অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে এসব প্রচারসামগ্রীর আকার নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। ব্যানারের সর্বোচ্চ আকার হবে ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল এ-ফোর আকারের, ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি এবং ব

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin