Facebook Twitter Instagram YouTube

পায়ে লিখে মাস্টার্স পাস নীলা, প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাইছেন চাকরি


প্রকাশের সময় : জুলাই ৮, ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ /
পায়ে লিখে মাস্টার্স পাস নীলা, প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাইছেন চাকরি

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের চরবরধুল গ্রামের ওসমান গণির মেয়ে মোছা. নীলা খাতুন জন্মগতভাবেই দুই হাতহীন। শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা তার এগিয়ে চলার পথে কখনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। ছোটবেলা থেকেই তিনি পায়ের সাহায্যে লেখালেখি, খাওয়া-দাওয়া, পোশাক পরাসহ দৈনন্দিন সব কাজ নিজে সম্পন্ন করে আসছেন। এমনকি পরিবারের বিভিন্ন কাজেও তিনি নিয়মিত সহযোগিতা করেন।

অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নীলা তার শিক্ষাজীবন সফলভাবে শেষ করেছেন। তিনি চরবরধুল দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল, কামারখন্দ ফাজিল মাদরাসা থেকে আলিম ও ফাজিল এবং সিরাজগঞ্জের আহমেদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে কামিল বা মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় দুইবার অংশগ্রহণ করেছেন। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে এখন পর্যন্ত তিনি চাকরির সুযোগ পাননি।

নিজের প্রতিবন্ধকতাকে কখনোই দুর্বলতা হিসেবে দেখেননি নীলা খাতুন। তিনি বলেন, আমি পড়াশোনা করেছি এবং নিজের কাজ নিজেই করি। আমি শুধু চাই আমার যোগ্যতার মূল্যায়ন হোক এবং কাজের একটি সুযোগ পাওয়া যাক। তাই নিজের পরিবারকে নিয়ে ভালো থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি সরকারি চাকরির আবেদন করছি।

নীলার এই সংগ্রামী জীবনের বিষয়ে সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বিশেষ কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আল কায়েস বলেন, তার যোগ্যতা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি উপযুক্ত চাকরির ব্যবস্থা করার জন্য চেষ্টা করা হবে। নীলা খাতুনের মতো একজন মেধাবী নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে তা সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।