
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, একটি নির্দিষ্ট মহল অতীতে নিজেদের সুবিধা পাওয়ার জন্য যেসব অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল, তার খেসারত হিসেবেই বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করছে।
সরকার যে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা অস্বীকার করছে না, সে বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ধ্বংসপ্রায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে দেশকে সচল করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এছাড়া উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং দ্রুত ই-হেলথ কার্ড চালু করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
পেশাজীবী ও শিক্ষকদের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সব কাজকেই প্রভাবিত করে, তাই শিক্ষক বা পেশাজীবীরা তাদের আদর্শ অনুযায়ী সচেতন থাকতে পারেন। তবে তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন কোনোভাবেই পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।
৫ আগস্টের পর থেকে দেশে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের প্রবল চাহিদা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে রাজনীতিতে নতুন ধারা নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, এই কঠিন পরিস্থিতিতেও ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা রাষ্ট্র ও শাসন-প্রশাসনে সক্রিয় থেকে নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
আপনার মতামত লিখুন :