Facebook Twitter Instagram YouTube

হত্যার হুমকির মুখে গোপনে তুরস্ক ছাড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প


প্রকাশের সময় : আগস্ট ১১, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ /
হত্যার হুমকির মুখে গোপনে তুরস্ক ছাড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকির মুখে গত মাসে তুরস্ক থেকে ছোট একটি বিমানে করে গোপনে দেশ ছাড়েন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৮ জুলাই আঙ্কারা থেকে ট্রাম্প প্রথমে এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমানে ওঠেন। এরপর তাঁকে কৌশলে ওই বিমানের সঙ্গে যুক্ত একটি ক্যাটারিং কনটেইনারে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে একটি ছোট আকারের বিমানে করে যুক্তরাজ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। এই গোপনীয়তা বজায় রাখতে গণমাধ্যমের কর্মী ও কয়েকজন কর্মকর্তাকে ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে, ট্রাম্প এখনো বড় বিমানটিতেই অবস্থান করছেন।

এর আগে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ইরানের হুমকির কারণে ট্রাম্প তুরস্ক থেকে কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে যুক্তরাজ্যে যাত্রা করেননি। তুরস্কে যাওয়ার সময় তিনি ওই নতুন বিমানটিই ব্যবহার করেছিলেন। তবে নিউইয়র্ক টাইমসসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম পরে নিশ্চিত করে যে, ইরানের মিত্র বা প্রক্সি বাহিনীর সম্ভাব্য হুমকির কারণে বিমান পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

নিরাপত্তার খাতিরে আঙ্কারা থেকে পুরোনো বিমানে থাকা সাংবাদিকদের জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যা সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই ঘটনা ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের বিষয়টি পরিষ্কার করেছে। এছাড়া, নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বিমানটিতে পুরোনো বিমানের মতো কিছু প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেই, যা বিমান পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin