Facebook Twitter Instagram YouTube

মিসরের গোল কেন বাতিল হলো? ফুটবলের ভিএআর নিয়ম কী বলছে


প্রকাশের সময় : জুলাই ৮, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ /
মিসরের গোল কেন বাতিল হলো? ফুটবলের ভিএআর নিয়ম কী বলছে

আর্জেন্টিনা বনাম মিসর ম্যাচে লিওনেল মেসির সমতাসূচক গোলের আগে এবং পরে বেশ কিছু নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে মোস্তফা জিকো আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠিয়ে মিসরকে এগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ভিএআর-এর হস্তক্ষেপে সেই গোলটি বাতিল করা হয়। রেফারি মনিটরে রিপ্লে দেখে নিশ্চিত হন যে, আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় মিসরের একজন খেলোয়াড় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে ফাউল করেছিলেন।

ফুটবলের ভিএআর প্রটোকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, গোল তৈরির প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী দল কোনো আইন ভঙ্গ করলে—যেমন ফাউল, অফসাইড বা হ্যান্ডবল—সেই গোল বাতিল হবে। ভিএআর পুরো অ্যাটাকিং পসেশন ফেজ (এপিপি) পর্যালোচনা করে দেখে। এমনকি গোল হওয়ার ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড আগের কোনো ফাউলও যদি গোল প্রক্রিয়ার অংশ হয়, তবে গোল বাতিল হতে পারে। এক্ষেত্রে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার সময় মিসরের খেলোয়াড় ফাউল করেছিলেন, যা ছিল গোল হওয়ার আগের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

বিশ্বকাপ কিংবা ইউরোপের শীর্ষ লিগে এমন সিদ্ধান্ত নতুন নয়। জার্মানি–প্যারাগুয়ে ম্যাচে জোনাথান তাহের গোল কিংবা চেলসি–ফুলহাম ম্যাচে জস কিংয়ের গোলও একই কারণে বাতিল হয়েছিল। এপিপি নীতি অনুযায়ী, আক্রমণের শুরুতে কোনো আইন ভঙ্গ হলে গোল বাতিল করা বাধ্যতামূলক।

ম্যাচের আরেকটি বিতর্কিত মুহূর্ত ছিল মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে। ম্যাচের শেষ দিকে হুলিয়ান আলভারেজের ট্যাকলে সালাহ পড়ে যান, কিন্তু রেফারি এটিকে ফাউল হিসেবে গণ্য করেননি। ফুটবলের রুলবুক অনুযায়ী, যদি ডিফেন্ডার প্রথমে নিয়ম মেনে বলে আঘাত করেন এবং ট্যাকলটি স্বাভাবিক হয়, তবে তা ফাউল নয়। রিপ্লেতে দেখা গেছে আলভারেজের বুট প্রথমে বলে লেগেছিল, তাই রেফারি এটিকে বৈধ ট্যাকল হিসেবেই বিবেচনা করেছেন। যদিও ফুটবলে ভিএআর আসার পর থেকে সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক সবসময়ই থাকে, তবে আইএফএবি-এর বর্তমান নীতি এবং ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তগুলোর আইনি ভিত্তি রয়েছে।