Facebook Twitter Instagram YouTube

রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর জল্পনা


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ /
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর জল্পনা

রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়টি। ক্ষমতাসীন বিএনপি ও সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাষ্ট্রপতির কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, তার পদত্যাগের সম্ভাবনা প্রবল। এদিকে, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একাধিক সচিবের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে। এর আগে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নামও আলোচনায় উঠে এসেছিল, তবে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন সেলিম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে কোনো আলোচনার বিষয়ে তিনি অবগত নন। একই সুর শোনা গেছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বেগম সেলিমা রহমানের কণ্ঠেও; তারাও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি তার অধস্তন কর্মকর্তাদের দ্রুত বঙ্গভবন ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগ করার পর তিনি কিছু সময় বিশ্রাম নেবেন এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে যেতে পারেন বলে জানা গেছে।

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৮ সালের এপ্রিল মাসে তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে তার সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান গুঞ্জন সম্পর্কে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din