Facebook Twitter Instagram YouTube

পদত্যাগের পরও সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ / ০ Views
পদত্যাগের পরও সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলেও আইন অনুযায়ী তিনি অবসরভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইনে এই সুযোগগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি পদে কমপক্ষে ছয় মাস দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করলে বা মেয়াদ শেষ হলে তিনি মৃত্যুর আগপর্যন্ত মাসিক অবসর ভাতা পাবেন। এই ভাতা নির্ধারিত হয় রাষ্ট্রপতির সর্বশেষ মাসিক বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে। ‘দ্য প্রেসিডেন্টস (রিমিউনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫ (মে ২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত)’ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির বর্তমান মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সেই হিসাবে মো. সাহাবুদ্দিন মাসে ৯০ হাজার টাকা অবসর ভাতা পাবেন। তবে তিনি যদি আগে অন্য কোনো চাকরি থেকে অবসরভাতা পেয়ে থাকেন, তবে রাষ্ট্রপতির ভাতার সঙ্গে তা সমন্বয় করে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারবেন। এছাড়া তিনি অবসর ভাতার পরিবর্তে এককালীন আনুতোষিক গ্রহণেরও সুযোগ পাবেন, যা রাষ্ট্রপতি পদে থাকা প্রতিটি বছরের জন্য নির্ধারিত হারে প্রদান করা হবে।

অবসরের পর মো. সাহাবুদ্দিন একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট পাবেন। তিনি একজন মন্ত্রীর সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন। সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য বিনা মূল্যে সরকারি গাড়ি ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি আবাসস্থলে একটি টেলিফোন সংযোগ পাবেন, যার বিল সরকার নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত পরিশোধ করবে। এছাড়া তিনি একটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাবেন এবং দেশের ভেতরে ভ্রমণের সময় সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্টহাউসে বিনা ভাড়ায় থাকতে পারবেন। তাঁর স্ত্রীও একইভাবে চিকিৎসা সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট ও সরকারি রেস্টহাউসে অবস্থানের সুবিধা পাবেন।

তবে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এই সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে না। কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অবসরের পর যদি সরকারি তহবিল থেকে বেতন বা সুবিধা পাওয়া যায় এমন কোনো পদে দায়িত্ব পালন করেন, তবে তিনি রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা পাবেন না। এছাড়া নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালতের মাধ্যমে দণ্ডিত হলে কিংবা উচ্চ আদালত যদি অসাংবিধানিক বা অবৈধ উপায়ে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা দেয়, তবে ওই সাবেক রাষ্ট্রপতি এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo