Facebook Twitter Instagram YouTube

ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২০, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ /
ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াঙ্কা নামের এক নারী এই মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরবর্তীতে দুপুরে মামলায় আমলযোগ্য উপাদানের অভাব থাকায় আবেদনটি খারিজ করে দেওয়া হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ.কে.এম শরীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই মামলায় অন্যান্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রিজওয়ানা হাসান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন, আব্দুল Hannan মাসউদ, হাসনাত আব্দুল্লাহ, এনসিপি নেতা সারজিস আলম, সামান্থা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, তাহরীমা জান্নাত (সুরভী), বুলডোজার সরবরাহকারী মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী এবং আবুল কালাম Azad। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

মামলার বিবরণে অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৯ জনের মদদ, উসকানি ও সার্বিক সহযোগিতায় অন্য আসামিরা লাঠিসোটা, হাতুড়ি ও দাহ্য পদার্থসহ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে হামলা চালান। হামলাকারীরা ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র, মুক্তিযুদ্ধের নথিপত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও বইপুস্তকসহ মূল্যবান সম্পদ ধ্বংস ও লুটপাট করে। এরপর ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে দুটি বুলডোজার, এক্সকাভেটর, হ্যামার ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি এনে ভবনটি সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া আসামিদের অনেকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy