
রাজধানীর কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দাদের জন্য আধুনিক আবাসন সুবিধা তৈরির লক্ষ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। যদি পুরো অর্থায়ন একসাথে করা সম্ভব না হয়, তবে দেশটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এই বিনিয়োগ সম্পন্ন করার প্রস্তাব দিয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের জানান, গুলশান এলাকা ও ঢাকা-১৭ নির্বাচনি আসনের আওতাধীন এই তিনটি বস্তিতে আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাবটি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে চীনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করে সেখানে ছোট ছোট আবাসিক ইউনিট তৈরি করা হবে। প্রতিটি ইউনিটের আয়তন হবে প্রায় ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ বর্গফুট। প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান বস্তিবাসীদের এই আবাসনে পুনর্বাসন করা হবে এবং তারা সেখানে বিনা ভাড়ায় থাকার সুযোগ পাবেন। তবে বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য ইউটিলিটি সেবার খরচ বাসিন্দাদের নিজেদেরই বহন করতে হবে।
বর্তমানে বস্তিগুলোতে বসবাসরত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। সরকার পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই আবাসন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসবে এবং কাউকে বঞ্চিত করা হবে না বলে প্রতিমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :