Facebook Twitter Instagram YouTube

প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন সমঝোতা তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২১, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ / ০
প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন সমঝোতা তুরস্ক-পাকিস্তান-কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার

প্রতিরক্ষা শিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া 'বদর সমঝোতা স্মারক' সই করেছে। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) কাতারের রাজধানী দোহায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, সমরাস্ত্র উৎপাদন, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়নে সমন্বিত সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে চার দেশের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

দোহায় আয়োজিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলের। এ ছাড়া কাতারের প্রতিরক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ সউদ বিন আব্দুল রহমান বিন হাসান আল থানি, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসজাফরি এসজামসুদ্দিন এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন। তুরস্কের ‘প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজ’-এর সমন্বয়ে এই পুরো সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এই চুক্তির পরিধি শুধুমাত্র সামরিক প্ল্যাটফর্ম ও সরঞ্জাম সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং যৌথ সমরাস্ত্র উৎপাদন প্রকল্প গ্রহণ, সরবরাহব্যবস্থা একীভূত করা এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও তথ্য বিনিময়ের পরিকল্পনাও রয়েছে দেশগুলোর। তবে ‘বদর’ সমঝোতা স্মারকে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। অর্থাৎ, এই চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলোকে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হবে—এমন কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

চুক্তিটির মূল লক্ষ্য প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণ। এর আগে, গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই হয়। ওই চুক্তিতে ন্যাটোর আদলে এক দেশের ওপর আক্রমণকে সব সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ‘বদর’ সমঝোতা স্মারকের সঙ্গে ওই চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, নতুন সমঝোতাটি প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতাকেন্দ্রিক; এতে পারস্পরিক সামরিক প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার নেই।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh