Facebook Twitter Instagram YouTube

ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘরে ছিল ২৬টি নির্জন কক্ষ, পরিদর্শন করলেন বিচারকরা


প্রকাশের সময় : আগস্ট ৮, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ /
ডিজিএফআইয়ের আয়নাঘরে ছিল ২৬টি নির্জন কক্ষ, পরিদর্শন করলেন বিচারকরা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক ডিজিএফআইয়ের কুখ্যাত বন্দিশালা ‘জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল’ বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করেছেন। শনিবার দুপুরে এই পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার এবং দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রসিকিউশনের সদস্যদের পাশাপাশি আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামীম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার ও তাসমিরুল ইসলামসহ প্রসিকিউশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে প্রসিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, এই আয়নাঘরে মোট ২৬টি নির্জন কক্ষ বা সেল রয়েছে। ঢাকা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে কাফরুল থানাধীন এলাকায় ডিজিএফআইয়ের প্রধান কার্যালয় ও মেস-বির মধ্যবর্তী একটি পুরোনো দোতলা ভবনের নিচতলায় এই বন্দিশালাটি অবস্থিত। সেগুলোর মধ্যে কিছু সেলের আকার গড়ে ১৬ ফুট বাই ৬ ফুট এবং বাকিগুলোর আকার গড়ে ১২ ফুট বাই ৮ ফুট। দেয়ালগুলো সিমেন্ট দিয়ে এবড়োথেবড়ো করে তৈরি এবং বড় দুটি সেল ‘ভিআইপি সেল’ হিসেবে পরিচিত ছিল, যেখানে কোনো জানালা নেই। কিছু সেলে একটি বা দুটি এক্সহস্ট ফ্যান এবং লোহার শিকের দরজার সঙ্গে কাঠের দরজা রয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুটি সাউন্ডপ্রুফ বিশেষ কক্ষ ছিল, যা নির্যাতনের বিভিন্ন উপকরণে সজ্জিত ছিল। বর্তমানে এই জেআইসির বাইরে ‘করোনা আইসোলেশন সেন্টার’ নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানো আছে।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন হাসিনা সরকারের নির্দেশে সামরিক বাহিনীর বিপথগামী সদস্যরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ইসলামপন্থীদের এখানে আইনবহির্ভূতভাবে আটক রেখে বছরের পর বছর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহিল আমান আজমী, লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান ও হুমাম কাদের চৌধুরীকে এখানে দীর্ঘ সময় আটক রেখে নির্যাতন করা হয়। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের পতনের পর ২৬ জন ভুক্তভোগী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে এই গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা ও ১২ জন সেনা কর্মকর্তার বিচার চলছে ট্রাইব্যুনাল-১-এ, যার মধ্যে ৩ জন সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন।

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ০৮আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩: ১৯

মূলত তৎকালীন হাসিনা সরকারের নির্দেশে ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সামরিক বাহিনীর বিপথগামী সদস্যরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ইসলামপন্থীদের এই বন্দিশালায় এনে আইনবহির্ভূতভাবে বছরের পর বছর আটক রেখে নির্যাতন চালায়। জুলাই বিপ্লবে হাসিনার পতন হলে, ২৬ জন ভুক্তভোগী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন। বর্তমানে এই গুম ও নির

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh