
টানা নয়দিনের বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল এবং ভূমিধসে বিধ্বস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে তিনি সরেজমিনে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক এবং অন্যান্য অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা হবে। এছাড়া কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু এবং বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনার বিষয়টি সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে বিভিন্ন দপ্তর ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
এসময় পাহাড় কাটা রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলতে দেওয়া হবে না। প্রভাবশালী পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া যদি কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার (এসপি) সাজিদুর রহমান, চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার, চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দিলীপ দে এবং উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
আপনার মতামত লিখুন :