Facebook Twitter Instagram YouTube

সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জীবন থেমে থাকে না: জেনিফার লোপেজ


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৯, ২০২৬, ৮:০১ পূর্বাহ্ণ /
সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জীবন থেমে থাকে না: জেনিফার লোপেজ

হলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা জেনিফার লোপেজ বরাবরই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন। চারবার বিয়ে এবং চারবার বিচ্ছেদের মুখোমুখি হওয়া এই তারকা সম্প্রতি সম্পর্ক, আত্মসম্মান এবং নতুনভাবে জীবন শুরুর বিষয়ে নিজের গভীর উপলব্ধির কথা তুলে ধরেছেন। জেনিফার লোপেজ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বৈবাহিক জীবনের এই অভিজ্ঞতাগুলো তাকে ভালোবাসা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়নি। বরং তার বিশ্বাস, কোনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া মানেই জীবন থেমে থাকা নয়; বরং এই অভিজ্ঞতা মানুষকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী, পরিণত ও শক্তিশালী করে তোলে।

সম্প্রতি একটি টকশোতে অংশগ্রহণ করে জেনিফার লোপেজ বলেন, মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলো নিজের সঙ্গে। কোনো রোমান্টিক সম্পর্কই একজন মানুষের আত্মসম্মান, মানসিক শান্তি বা আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় হতে পারে না। তিনি মনে করেন, যদি কোনো সম্পর্ক দুই পক্ষের জন্যই আর ইতিবাচক না থাকে, তবে সেটি শেষ করার সিদ্ধান্তকে ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে একটি সাহসী এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা উচিত। একটি সম্পর্কের সমাপ্তি আসলে জীবনের নতুন কোনো অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

লোপেজ আরও জানান, অতীতে তিনি বিশ্বাস করতেন জীবনের পূর্ণতা একজন জীবনসঙ্গীর মাধ্যমেই আসে, তবে সময়ের সঙ্গে তার সেই ধারণা বদলেছে। এখন তিনি মনে করেন, অন্য কারও সঙ্গে সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ার আগে নিজের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা জরুরি। কারণ নিজের ভেতর শান্তি না থাকলে অন্য কারো সঙ্গে সুখী হওয়া সম্ভব নয়। তিনি পরামর্শ দেন, সম্পর্ক ভাঙার পর একাকিত্বকে ভয় না পেয়ে নিজেকে সময় দেওয়া উচিত। কঠিন সময়ে ধ্যান, শরীরচর্চা, কাজ এবং সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তিনি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন।

অভিনেত্রীর মতে, সম্পর্কে কে কাকে ছেড়ে গেল তা মুখ্য নয়, বরং বিচ্ছেদের পর কে নিজেকে কতটা শক্ত ও পরিণত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারল, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরিশেষে তিনি বলেন, কেবল ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না; পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, ধৈর্য এবং খোলামেলা যোগাযোগই একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি। শুধু একা থাকার ভয় থেকে কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে থাকা উচিত নয়, বরং সেই সম্পর্কেই থাকা উচিত যেখানে দুজন মানুষ একে অপরের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh