
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ৫৭
কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে এক সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্য জানান।
সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের আধুনিক কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।
সংসদে কওমি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার আইনি কাঠামোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণের জন্য ২০০৬ সালে একটি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তীতে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীনে কওমি মাদরাসাগুলোর সর্বোচ্চ স্তর ‘দাওরায়ে হাদিস’ সনদকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রির (স্নাতকোত্তর) সমমান দিয়ে ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে আইন পাস করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ওই আইনের অধীনে দেশের কওমি মাদরাসাগুলো পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ৬টি শিক্ষা বোর্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই বোর্ডগুলো হলো—বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমি গহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, আজাদ দ্বীনী ইদারায়ে তালীম বাংলাদেশ, তানজিমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ এবং জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ওই আইনের অধীনে দেশের কওমি মাদরাসাগুলো পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি শিক্ষা বোর্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো—১. বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, ২. বেফাকুল মাদারিসিল কওমি গহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, ৩. আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, ৪. আজাদ দ্বীনী ইদারায়ে তালীম বাংলাদেশ, ৫. তানজিম
আপনার মতামত লিখুন :