
সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম খানসামাপাড়ার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার ও বিএনপি। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়ার সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, পাহাড়ের কোনো মানুষকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হবে না। তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
শুক্রবার রোয়াংছড়ি উপজেলার খানসামাপাড়ায় আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিসেস মাম্যাচিং এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ রেজার ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এক হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সরকার এবং বিএনপি জনগণের কল্যাণে একযোগে কাজ করছে। পাহাড়ের প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাধুবী মারমা, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসীম উদ্দিন তুষার, আবিদুর রহমান, রিটল বিশ্বাস, চ নু মং মারমা, শাহাদাত হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট উমেচিং এবং অ্যাডভোকেট আলমগীরসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাবেদ রেজা জানান, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দল সবসময় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও জীবিকা পুনর্গঠনে সরকারের পাশাপাশি বিএনপিও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
আপনার মতামত লিখুন :