Facebook Twitter Instagram YouTube

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে ১৪ দিনের হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের


প্রকাশের সময় : জুলাই ৩১, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ /
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে ১৪ দিনের হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করার লক্ষ্যে প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী ব্যাপক বিমান হামলার একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এই পরিকল্পনাটি তৈরি করেছেন। ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় অবস্থিত সেন্টকম সদর দপ্তর থেকে তিনি বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং এই বড় ধরনের সামরিক অভিযানের রূপরেখা সাজিয়েছেন।

প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনায় ১০ থেকে ১৪ দিন ধরে ধারাবাহিক বিমান হামলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাডমিরাল কুপার এই কৌশলকে “গো বিগ” বা বড় আকারের হামলা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার যুক্তি হলো, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত ধ্বংস করা গেলে তাদের পাল্টা হামলার সুযোগ কমে যাবে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তাও হ্রাস পাবে।

তবে এই পরিকল্পনার খবর এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। তার মতে, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সব সক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা সম্ভব নয়।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যা বর্তমানে কমে ৭৫৯টিতে নেমে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিএসআইএসের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো সংকট মোকাবিলায় মার্কিন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin