Facebook Twitter Instagram YouTube

নারীদের স্বাবলম্বী করলে দেশের ভবিষ্যৎ বদলাবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী


প্রকাশের সময় : আগস্ট ২৮, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ /
নারীদের স্বাবলম্বী করলে দেশের ভবিষ্যৎ বদলাবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

একটি পরিবারের নারীরা শিক্ষিত ও কর্মক্ষম হলে ওই পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারলে আগামী দিনে বাংলাদেশ আরও উন্নত হবে।

শুক্রবার ২৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি দুঃস্থ, অসহায়, মেধাবী শিক্ষার্থী, নির্যাতিত নারী ও শিশুদের কল্যাণ তহবিল থেকে অনুদানের চেক ও সাইকেল বিতরণের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল।

মন্ত্রী আরও বলেন, মা ও মেয়েদের বিভিন্নভাবে আর্থিক সহযোগিতা ও উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্য হলো পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো। তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে সবাই ভালো থাকবে এবং মনের মধ্যে কোনো ক্রোধ থাকবে না।

সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া অনুদান সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনুদানের অর্থ সবজি বাগান বা হাঁস-মুরগি পালনের মতো আয়বর্ধক কাজে বিনিয়োগ করলে পরিবারের আর্থিক অবস্থার টেকসই উন্নতি হবে। এতে সন্তানদের পড়াশোনা, খাবার ও চিকিৎসার খরচ বহন করা সহজতর হবে। তিনি বলেন, একজন নারীকে স্বাবলম্বী করা মানে পুরো পরিবারকে স্বাবলম্বী করার পথ তৈরি করা।

অনুষ্ঠানে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীম হোসেন চৌধুরী এবং পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন বক্তব্য রাখেন। এছাড়া ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার হারেজ উদ্দিন, মন্ত্রীর পিএস ডা. জাবেদ হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাছুদ রানা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ মিয়া ও পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার ৬০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে সাইকেল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ক্যান্সার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ১১ জন, ৯৬ জন শিক্ষার্থী, ১০৬ জন দুস্থ ও ৬৪ জন আদিবাসীকে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরেও অনুদান দেওয়া হয়।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh